টুইটার বিভিন্ন দেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থায় সেন্সর করার ব্যবস্থা আনতে যাচ্ছে। এটা তাদের এতদিন মুক্তভাবে কথা বলার যে নিয়ম মেনে চলছিল সেখান থেকে সরে আসা। বিভিন্ন দেশের আপত্তির মুখে একাজ করতে যাচ্ছে তারা। সেকারনে বিষয়টিও দেশভিত্তিক। পার্থক্য হচ্ছে আগে কোন মেসেজ মুছে দিলে সেটা একেবারে বাদ যেত, নতুন ব্যবস্থায় বাদ দিলে বিশেষ দেশে ব্যবহার করা যাবে না, বাকি বিশ্বে সেটা দেখা যাবে। গুগল এই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে কয়েক বছর ধরেই।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গনআন্দোলন থেকে শুরু করে আমেরিকার অকুপাই ওয়াল ষ্ট্রিট পর্যন্ত সব আন্দোলনে টুইটার গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখার জন্য প্রসংশিত হয়েছে। অনেক দেশই এধরনের বক্তব্য প্রচারের ব্যবস্থার বিরোধী। সাধারনভাবে ধরে নেয়া হয় অগনতান্ত্রিক সরকার তাদের সমালোচনা বন্ধ রাখতে ইন্টারনেটে নিয়ন্ত্রনের পক্ষে। আমেরিকায় সেটা সম্ভব হয়না কারন তাদের সংবিধান অনুযায়ী মুক্তভাবে মত প্রকাশ করা জনগনের অধিকার।
এতদিন টুইটার যাকিছু সেন্সর করেছে সেগুলি পর্নোগ্রাফি বিষয়ক। নতুন ব্যবস্থায় বিভিন্ন দেশের সরকারের নীতি অনুযায়ী মেসেজ বাদ দেয়া হতে পারে।
দেশভিত্তিক সেন্সর আরোপ করতে পারে টুইটার
28 01 2012
Advertisement
